“অনির্দিষ্ট গন্তব্যে চলা প্রজন্মকে যদি পাই বুকে টেনে বলব আজ শবে বরাত”

শেয়ার করুণ

হালুয়া রুটি হোক আর আড্ডা হোক শবে বরাতে ইয়াং জেনারেশনকে ঘুরাঘুরি করতে দেন৷ দলবেধে মসজিদে মসজিদে দ্বীনি হালাকাহয়, বায়তুল মোকাররমে, আজিমপুরে ঘুরতে দেন। ছুটতে দেন।

যারা হালুয়া খায়, নতুন পাঞ্জাবি পরে ঘুরে বেড়ায় ওরা কেউই তা ইবাদাত মনে ল করে করেনা। সবাই সারারাত ঘুরে, তারাও ঘুরে। মুরুব্বিদের সালাম দেয়, ছোটদের আদর করে। দাদা দাদি পরদাদা বা ফ্যামেলির অন্যদের কবরের পাশে গিয়ে সুরা পড়ে, দোয়া করে। আজিমপুর কবরস্তানে বাবার সাথে যায়, দাদা দাদির কবর চিনে আসে।

এই প্রজন্ম বড় হলে তার শৈশব কৈশোর ও তারুণ্যের দিনগুলো স্মরণ করবে, অন্তত…অন্তত তার শেকড় যে ইসলাম তা মনে পড়বে। সে যে একজন মুসলিম তা মনে পড়বে।

এই মনে পড়াটাই বা কম কিসে? এটা আমার নিকট অনেক অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

নিজেকে চেনা, ধর্ম, কালচার এবং নিজের শেকড়কে চেনাটা কম নয়, সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

যে ইসলামই চিনে নাই, তাওহিদ চিনে নাই, রেসালাত পরিচিত নয় যার কাছে, সারাক্ষণ অপসংস্কৃতির স্রোতে অজানা গন্তব্যে ভেসে চলছে তাকে বিদয়াত বুঝালে কিইবা বুঝবে প্রিয় হাদারাত?

আপনি রাগ করলেও, ফতোয়া দিলেও কিছুই করার নেই। আমি এই অনির্দিষ্ট গন্তব্যে চলা প্রজন্মকে যদি পাই বুকে টেনে বলব আজ শবে বরাত। সুযোগ থাকলে ওদের মুখে হালুয়া তুলে দিয়ে বলব, ইয়া আইয়ুহাশ শাবাব, আজ শবে বরাত৷ শবে বরাত মোবারক।

সাইমুম সাদী,

লেখক, ইসলামি গবেষক

ফেসবুক হতে সংগৃহীত

নিউজটি শেয়ার করুণ