না.গঞ্জে যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা

শেয়ার করুণ

নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি পদ পাওয়া নিয়ে দ্বন্দের জেরে প্রতিপক্ষের লোকজন দ্বীন ইসলাম দিলীপ (৩০) নামের এক যুবলীগ নেতাকে কুপিয়ে হত্যা করেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।

গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার মুড়াপাড়া ইউনিয়নের দড়িকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আজ রোববার (৫নভেম্বর) সকালে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত দ্বীন ইসলাম দিলীপ মুড়াপাড়া ইউনিয়নের দরিকান্দি মৃত আলী হোসেনের ছেলে। তিনি ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি প্রত্যাশী ছিল।

স্থানীয় ও প্রত্যক্ষদর্শী জানান, নিহত দিলীপ মুড়াপাড়া ইউনিয়নের ওই ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি পদ প্রত্যাশী ছিল। অপরদিকে, একই পদ প্রত্যাশী ছিল মুড়াপাড়া ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহর ছেলে পিয়াল। এ সভাপতি পদকে নিয়ে পিয়াল ও দিলীপের মাঝে বেশকিছুদিন ধরেই বিরোধ চলে আসছিল। এরই জের ধরে গত বৃহস্পতিবার বিকেলে পিয়ালের সঙ্গে দিলীপের বাকবিতন্ডা হয়। পরে রাতে দ্বীন ইসলাম দিলীপকে বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পিয়ালসহ তার লোকজন। স্থানীয়রা আহত অবস্থায় উদ্ধার করে দিলীপ কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিলীপের মৃত্যু হয়।

নিহতের স্ত্রী রূপালী বেগম বলেন, আমার স্বামী দিলীপ দীর্ঘদিন মুড়াপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলমাছের সঙ্গে যুবলীগের রাজনীতি করে আসছেন। দিলীপ ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবলীগের সভাপতি পদ প্রত্যাশী ছিলেন একই এলাকার ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক পাভেলের ছোট ভাই পিয়ালও সাধারণ সম্পাদক পদ প্রত্যাশী ছিল। এরই জের ধরে বৃহস্পতিবার রাতে আমার স্বামী দিলীপকে মোবাইল ফোনে ডেকে নিয়ে পিয়ালসহ তার লোকজন কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। পরে স্থানীয়রা উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করান। পরে রোববার সকালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে দিলীপ পিয়াল, বিপ্লব ও ইমন তাকে হত্যার উদ্দেশ্যে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বলে জানান। এ ঘটনায় তিনি বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেন।

এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএফএম সায়েদ বলেন, নিহতের স্ত্রী রূপালী বেগম বাদী হয়ে রূপগঞ্জ থানায় একটি মামলা করেছেন। আসামিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুণ