ভোট চুরির সুযোগ না পেয়ে বিএনপি নির্বাচনে আসেনি: প্রধানমন্ত্রী

শেয়ার করুণ

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, নির্বাচন নিয়ে যাতে কেউ কোনো অভিযোগ আনতে না পারে, শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন করবেন। নির্বাচনে জনগণের অংশগ্রহণ থাকতে হবে। ভোটারের অংশগ্রহণ থাকতে হবে।

তিনি বলেন, কোন দল এলো না এলো তাতে কিচ্ছু যায় আসে না। ওরা তো ভোট চুরির সুযোগ না থাকায় আসেনি। বিএনপি আসেনি একটাই কারণ, ভোট চুরির সুযোগ নেই তাই।

আজ বৃহস্পতিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড়, লালমনিরহাট, নাটোর, পাবনা ও খাগড়াছড়ি জেলার নির্বাচনী জনসভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

রাজধানীর তেজগাঁওস্থ ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবন প্রান্ত থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি বলেন, তারা (বিএনপি) ২০০৮ সালে পারে নাই, তাই এখন ভোট বাতিল করতে চায়, বর্জন করতে চায়। সেটা তাদের ইচ্ছা, যার যার দলের ইচ্ছা। আমরা নির্বাচনে বিশ্বাস করি, জনগণের ক্ষমতায়নে বিশ্বাস করি। জনগণের ক্ষমতায়ন আমরাই নিশ্চিত করেছি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নৌকা মার্কায় ভোট চেয়ে দলটির সভাপতি শেখ হাসিনা বলেছেন, বুড়িমারী স্থলবন্দর উন্নত ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হবে এবং নৌকা নূহ নবীর নৌকা, বিপদে মানুষের একমাত্র বাহন হচ্ছে নৌকা। এখনও রাস্তা-ঘাট যতই করি, বন্যা হলে উদ্ধার করতে নৌকাই ভরসা, সেটা মাথায় রাখতে হবে।

৭ জানুয়ারির দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণ ভোট দেবে, ভোটের মালিক জনগণ। এটা তাদের সাংবিধানিক অধিকার। আমরা এটা উন্মুক্ত করেছি, আমাদের নৌকার প্রার্থী আছে, স্বতন্ত্র প্রার্থীও আছে, অন্যান্য দলও আছে। প্রত্যেকে জনগণের কাছে যাবেন, জনগণ যাকে ভোট দেবে সে-ই নির্বাচিত হবে। কেউ কারও অধিকারে হস্তক্ষেপ করবেন না। এখানে কোনো রকম সংঘাত-সহিংসতা আমি দেখতে চাই না। কোনো সংঘাত হলে, দলের কেউ যদি করে তাদের রেহাই নেই। যথাযথ ব্যবস্থা নেব। সেটা মনে রাখবেন।

এ সময় দেশের উন্নয়ন অব্যাহত রাখতে নৌকা মার্কায় ভোট চান প্রধানমন্ত্রী। তিনি দলের নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনারা সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন করবেন। নিজের দলের মধ্যে ঐক্য রাখবেন। যত প্রার্থী আছে সবাই জনসংযোগ করুক স্বাধীন মতো। জনগণকে সুযোগ দেবেন তাদের পছন্দের মতো প্রার্থী নির্বাচিত করতে। তাতে গণতন্ত্র আরও বেশি শক্তিশালী হবে। যারা নির্বাচনে এসেছে তাদের ধন্যবাদ জানাই।

এদিকে লালমনিরহাট কালেক্টরেট মাঠে আয়োজিত জনসভায় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট-১ আসনের আওয়ামী লীগ পদপ্রার্থী মোতাহার হোসেন, লালমনিরহাট-২ আসনের আওয়ামী লীগ পদপ্রার্থী নুরুজ্জামান আহম্মেদ এবং লালমনিরহাট জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও লালমনিরহাট-৩ আসনের আওয়ামী লীগ পদপ্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. মতিয়ার রহমান প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুণ