বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতি ও উন্নয়নধারা নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে তারেক রহমান–এর ঘোষিত ৩১ দফা কর্মপরিকল্পনাকে ঘিরে। এই পরিকল্পনায় দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন, সামাজিক সম্প্রীতি, ন্যায়বিচার ও স্থিতিশীলতার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে বলে মত দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
পরিকল্পনাটি বাস্তবায়ন সহজ হবে না এবং পথে নানা চ্যালেঞ্জ আসতে পারে বলে বিশ্লেষকদের ধারণা। তবুও একটি স্পষ্ট রোডম্যাপ সামনে আসায় উন্নয়ন কার্যক্রম ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার সুযোগ তৈরি হয়েছে। একই সঙ্গে নাগরিকদের মতামত দেওয়া এবং ভবিষ্যতে নেতৃত্বকে জবাবদিহির মধ্যে রাখার ক্ষেত্রও প্রসারিত হবে, যা গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)–এর ইশতেহার ও নীতিগত দিকনির্দেশনা নিয়েও অনেকের মধ্যে আশাবাদ তৈরি হয়েছে। দলটির অতীতে রাষ্ট্র পরিচালনার অভিজ্ঞতা এবং আন্তর্জাতিক ও ভূরাজনৈতিক বাস্তবতা সম্পর্কে ধারণা রয়েছে বলেও অনেকে উল্লেখ করছেন।
নারায়ণগঞ্জ ও লন্ডনভিত্তিক শিক্ষক প্রফেসর আলিয়ার হোসাইন বলেন, তারেক রহমানের নেতৃত্বের ধরন ও ব্যক্তিগত গুণাবলি অনেক মানুষের মধ্যে ইতিবাচক প্রত্যাশা ও নতুন আশার সঞ্চার করেছে। তার মতে, দেশের আগামী দিনে শান্তি, সম্প্রীতি ও ন্যায়ভিত্তিক অগ্রগতির সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি আরও আশা প্রকাশ করেন, ভবিষ্যৎ নেতৃত্ব দেশের উন্নয়নকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাবে।
