আইভীর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা গণতন্ত্রকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে: অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর আইনজীবী অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেছেন, একজন স্বচ্ছ ও দায়িত্বশীল প্রশাসকের বিরুদ্ধে ধারাবাহিকভাবে মিথ্যা মামলা দায়ের হলে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে।
সোমবার ২ মার্চ দুপুরে সিদ্ধিরগঞ্জের বৈষম্যবিরোধী আরেকটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার আবেদনের শুনানি শেষে তিনি এসব কথা বলেন। এদিন সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সেলিনা খাতুন আসামি ও রাষ্ট্রপক্ষের শুনানি শেষে গ্রেপ্তার আবেদন মঞ্জুর করেন।
অ্যাডভোকেট আওলাদ হোসেন বলেন, বিগত কর্তৃত্ববাদী সরকারের সময় মির্জা ফখরুল ইসলামের মতো একজন সজ্জন রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে ৮৪টি মামলা হয়েছিল। একইভাবে আইভীর বিরুদ্ধে একের পর এক মামলা হলে তা গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করবে না, বরং প্রশ্নবিদ্ধ করবে। বৈষম্যবিরোধী লড়াই ও মামলা যদি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে ব্যবহার হয়, তাহলে গণতন্ত্রের ভিত দুর্বল হবে।
তিনি দাবি করেন, সর্বশেষ মামলার এজাহারে ডা. সেলিনা হায়াৎ আইভীর নাম নেই। মোট সাতজনকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হলেও পরে আইভীকে সম্পৃক্ত দেখিয়ে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। একই ব্যক্তি একই সময়ে ফতুল্লা, আদমজী ও চিটাগাং রোড এলাকায় হত্যাকাণ্ডে জড়িত ছিলেন—এমন অভিযোগ বাস্তবসম্মত নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
আওলাদ হোসেন আরও বলেন, সত্যকে অতিরঞ্জিত করে আইভীকে হাজতে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। তিনি বলেন, আইভী যদি ঘটনাস্থলে উপস্থিত থাকতেন, তাহলে এজাহারকারী তার নাম উল্লেখ করতেন। বিষয়টি আদালতে তুলে ধরা হয়েছে।
তদন্তকারী কর্মকর্তার বক্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আইভীকে একটি রাজনৈতিক দলের প্রার্থী হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও তিনি নাগরিক সমাজের প্রার্থী ছিলেন এবং বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। একজন আদর্শবান জনপ্রতিনিধিকে এভাবে আটক রাখা গণতন্ত্রের জন্য শুভ নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

