ঈদকে সামনে রেখে নারায়ণগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায় লাইটিং ও সেহেরির ডাকের নামে জোরপূর্বক চাঁদা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। এতে সাধারণ বাসিন্দাদের মধ্যে ক্ষোভ ও বিরক্তি তৈরি হয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, শহরের গলাচিপা এলাকায় ঈদ উপলক্ষ্যে লাইটিং করার কথা বলে কিছু যুবক বাড়ি বাড়ি গিয়ে চাঁদার রশিদ পাঠাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা দিতে বাসিন্দাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এদিকে শহরের ১নং বাবুরাইল এলাকায় সেহেরির ডাকের নামেও চাঁদা তোলার অভিযোগ উঠেছে। এলাকাবাসী জানান, প্রতি বিল্ডিংয়ের প্রতিটি ফ্ল্যাট থেকে ২০০ টাকা করে নেওয়া হচ্ছে।
বাবুরাইল এলাকার এক বাসিন্দা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন,
“এখন প্রায় প্রতিটি বাসায় মোবাইল ফোন আছে, এলার্ম আছে। তারপরও সেহেরির ডাকের নামে টাকা তোলা হচ্ছে। কেউ স্বেচ্ছায় দিলে সমস্যা নেই, কিন্তু এভাবে রশিদ ধরিয়ে দিয়ে টাকা নেওয়া ঠিক না।”
আরেক বাসিন্দা বলেন,
“সেহেরিতে মানুষকে ডেকে দেওয়া যদি কেউ সওয়াবের আশায় করেন, সেটা ভালো কাজ। কিন্তু এখন সেটাকে অনেকেই বাধ্যতামূলক চাঁদার মতো করে ফেলেছে।”
গলাচিপা এলাকার এক বাসিন্দা বলেন,
“ঈদে লাইটিং করা ভালো উদ্যোগ। কিন্তু সেটা যদি জোর করে চাঁদা তুলে করা হয়, তাহলে বিষয়টা ভালো লাগে না। অনেকেই অস্বস্তির মধ্যে পড়ে টাকা দিচ্ছে।”
এ বিষয়ে স্থানীয় সচেতন মহল বলছে, ধর্মীয় ও সামাজিক কাজের আড়ালে এ ধরনের চাঁদাবাজি বন্ধে প্রশাসনের নজরদারি বাড়ানো প্রয়োজন। একই সঙ্গে এলাকাবাসীকেও সচেতন হয়ে এমন কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছেন তারা।

