শহরের ব্যস্ততম সড়ক আবারও আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। সিটি করপোরেশন ও জেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে হকার উচ্ছেদ অভিযান শুরুর ঘোষণার পর নগরজুড়ে এখন একটাই প্রশ্ন—এই উচ্ছেদ কতদিন স্থায়ী হবে?
আগামী ১৩ এপ্রিল থেকে শুরু হতে যাওয়া এ অভিযানে ফুটপাত দখল, অবৈধ স্থাপনা এবং অননুমোদিত পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেওয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ৫ এপ্রিল অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের সভায় জনভোগান্তি লাঘব ও যানজট নিরসনে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেবেন এবং সিটি করপোরেশনের প্রশাসক । পাশাপাশি জেলা প্রশাসনের অধীনে মোবাইল কোর্ট পরিচালিত হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে থাকবে পুলিশ, র্যাব-১১, আনসারসহ অন্যান্য সংস্থা।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্পষ্ট নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে—বিবি রোডে কোনো ধরনের হকার বসতে পারবে না এবং অননুমোদিত পার্কিং সম্পূর্ণভাবে নিষিদ্ধ থাকবে। নির্দেশনা অমান্য করলে তাৎক্ষণিক আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তবে স্থানীয়দের অভিজ্ঞতা বলছে, অতীতেও একাধিকবার উচ্ছেদ অভিযান চালানো হলেও কিছুদিন পর আবারও ফুটপাত দখল হয়ে যায়। ফলে এবারের অভিযান কতটা দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব ফেলবে, তা নিয়েই সংশয় রয়েছে।
ব্যবসায়ী ও পথচারীদের একাংশ বলছেন, নিয়মিত মনিটরিং ও বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া এই উচ্ছেদ স্থায়ী হবে না। অন্যদিকে প্রশাসনের দাবি, এবার কঠোর নজরদারি ও ধারাবাহিক অভিযান চালানো হবে, যাতে ফুটপাত দখলমুক্ত রাখা যায়।
সব মিলিয়ে, নগরবাসীর প্রত্যাশা—এই উদ্যোগ শুধু সাময়িক নয়, বরং দীর্ঘস্থায়ী সমাধান বয়ে আনবে। এখন দেখার বিষয়, উচ্ছেদের পর কতদিন সত্যিই হকারমুক্ত থাকে নারায়ণগঞ্জের বিবি রোড।

