নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানার মাসদাইর গুদারাঘাট এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বেচাকেনার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, পারুল ও ফারুক নামে দুই ব্যক্তিকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসা পরিচালিত হচ্ছে। সকাল থেকে গভীর রাত পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের মাদক কেনাবেচা চলে বলেও দাবি স্থানীয়দের।
এলাকাবাসীর অভিযোগ, মাদক কিনতে বিভিন্ন স্থান থেকে অটোরিকশাযোগে লোকজন গুদারাঘাট এলাকায় আসেন। এতে সড়কে যানজটসহ স্থানীয়দের স্বাভাবিক চলাচলে বিঘ্ন সৃষ্টি হচ্ছে।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, এর আগে তাদের পরিবারের কয়েকজন সদস্যের বিরুদ্ধে মাদক সংক্রান্ত অভিযোগ ও মামলা ছিল। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট নথি ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বক্তব্য স্বাধীনভাবে যাচাই করা প্রয়োজন।
এলাকাবাসীর আরও অভিযোগ, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর এলাকায় কিশোরদের একটি দলকে ব্যবহার করে মাদক ব্যবসা পরিচালনার পরিধি বাড়ানো হয়েছে। উঠতি বয়সী শিশু ও কিশোরদের দিয়ে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদক বিক্রির কাজে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, এ কাজে প্রায় ১০ থেকে ১২ জন কথিত সেলসম্যান জড়িত।
তাদের অভিযোগ, হেরোইন, গাঁজা ও ইয়াবাসহ বিভিন্ন ধরনের মাদক গুদারাঘাট এলাকায় বিক্রি হচ্ছে। মাদক ব্যবসার প্রতিবাদ করতে গিয়ে স্থানীয়দের কেউ কেউ হামলা ও হয়রানির শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেছেন এলাকাবাসী।
স্থানীয়দের ভাষ্য, মাদক বেচাকেনার কারণে এলাকার সামাজিক পরিবেশ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে তারা উদ্বিগ্ন। এ অবস্থায় নারায়ণগঞ্জ জেলার নতুন দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সুপারের কাছে বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন তারা।
এ বিষয়ে প্রশাসনের তদন্তে অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের পরিচয় ও সংশ্লিষ্টতা স্পষ্ট হবে বলে প্রত্যাশা করছেন স্থানীয়রা।
তবে অভিযোগগুলোর বিষয়ে পারুল ও ফারুকের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। তাদের বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।

