নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা থানাধীন কুতুবপুর এলাকায় নির্মম হত্যাকাণ্ডের শিকার জাহাঙ্গীর আলম জনির ঘটনায় প্রধান আসামি গ্রেফতার হলেও অন্যান্য অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন নিহতের পরিবার ও এলাকাবাসী। এ ঘটনায় জড়িত সকল আসামির গ্রেফতার ও সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টায় নারায়ণগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে নিহতের স্বজন, আত্মীয়স্বজন ও এলাকার শত শত মানুষ ব্যানার ও প্ল্যাকার্ড হাতে অংশ নেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জাহাঙ্গীর আলম জনিকে পরিকল্পিতভাবে নৃশংস কায়দায় কুপিয়ে এবং গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। এমন বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডের পরও কয়েকজন অভিযুক্ত এখনো গ্রেফতার না হওয়ায় এলাকায় চরম উদ্বেগ ও ক্ষোভ বিরাজ করছে। তারা দ্রুত সকল আসামিকে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করার দাবি জানান।
বক্তারা আরও অভিযোগ করেন, হত্যাকাণ্ডে জড়িত কয়েকজন ব্যক্তি প্রকাশ্যে চলাফেরা করলেও তাদের গ্রেফতারে কার্যকর উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এ সময় মানববন্ধনে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত বলে দাবি করা কয়েকজনের নাম ও ছবি প্রদর্শন করে তাদের দ্রুত গ্রেফতার এবং সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিতের দাবি জানানো হয়।
বক্তারা প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে জনি হত্যা মামলার সব আসামিকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনতে হবে এবং দ্রুত বিচার নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় এলাকাবাসী আরও কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে বলেও তারা হুঁশিয়ারি দেন।
মানববন্ধনে উপস্থিত ছিলেন নিহত জাহাঙ্গীর আলম জনির পিতা আলহাজ আব্দুস সাকুর, বোন জামাতা আল আমিন, চাচা মিজানুর রহমান মিলন, চাচা আরশাদ মিয়া, ভাই তানভীর, আবু বকরসহ নিহতের পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।
উল্লেখ্য, মানববন্ধনে কয়েকজনকে হত্যাকাণ্ডে জড়িত বলে অভিযোগ করা হলেও এসব অভিযোগের বিষয়ে তাদের বক্তব্য তাৎক্ষণিকভাবে পাওয়া যায়নি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে।

