নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নানের ছেলে ও জেলা যুবদলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক খাইরুল ইসলাম সজীব আটকের পর এ বিষয়ে নিজের অবস্থান জানিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিন।
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, যদি এই গ্রেপ্তার চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির অংশ হয়ে থাকে, তাহলে তিনি তা স্বাগত জানান। তার ভাষায়, চাঁদাবাজি, সন্ত্রাস ও মাদকের বিরুদ্ধে যেকোনো ধরনের অভিযানে তাদের পূর্ণ সমর্থন থাকবে।
তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, শুধুমাত্র একজন বা নির্দিষ্ট কয়েকজনকে টার্গেট করে অভিযান চালানো হলে তা প্রশ্নবিদ্ধ হতে পারে। নারায়ণগঞ্জে আরও যেসব চিহ্নিত সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও অপরাধী রয়েছে, তাদের বিরুদ্ধেও একই ধরনের ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, গার্মেন্টস পোড়ানোর হুমকি দিয়ে ব্যবসায়ীদের জিম্মি করা, ফতুল্লায় চাঁদাবাজি, হত্যা মামলার আসামি ও রাজনৈতিক পরিচয়ে অপরাধে জড়িতদের বিরুদ্ধেও কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন। একই সঙ্গে মাদকের স্পটগুলোর শেল্টারদাতাদেরও আইনের আওতায় আনার দাবি জানান তিনি।
এমপি আব্দুল্লাহ আল আমিন বলেন, সব অপরাধীর বিরুদ্ধে সমানভাবে ব্যবস্থা না নিলে বিষয়টি দলীয় অন্তর্কোন্দল হিসেবে দেখা যেতে পারে। তবে তিনি স্পষ্ট করেন, যেকোনো ধরনের অন্যায়, অপরাধ ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতির পক্ষেই তিনি অবস্থান রাখেন।

