নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় একই রাতে ভোরের দিকে মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি পৃথক ছিনতাইয়ের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রবাসীর পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চারটি ঘটনার সময়, স্থান, কৌশল এবং কালো রঙের মোটরসাইকেল ব্যবহারের মিল থাকায় একই সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র এ ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন ভুক্তভোগীরা। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ।
ঘটনাগুলো ঘটে গত ৩০ জুলাই ভোর ৪টা ১৫ মিনিট থেকে ৫টা ১৫ মিনিটের মধ্যে। চারজন ভুক্তভোগীর মধ্যে তিনজন বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অপর ভুক্তভোগী সোহাগ ঘটনার পর নিজ জেলা সাতক্ষীরায় চলে যাওয়ায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রথম ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে ভোর ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে পশ্চিম হাজীপুর এলাকায়। সৌদি আরবগামী প্রবাসী রকিবুল হাসান তারেক বিদেশযাত্রার প্রস্তুতি হিসেবে গাড়িতে মালামাল তুলছিলেন। এ সময় তিন দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে তার পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট, ট্রাভেল ব্যাগ, ৯০০ সৌদি রিয়াল, নগদ টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয় বাসিন্দা রিপন মিয়া জানান, ঘটনার সময় হাজীপুর মোড়ে কালো রঙের একটি মোটরসাইকেলের পাশে এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতে দেখা যায়।
এর প্রায় ১৫ মিনিট পর, ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে, সাতক্ষীরা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রিকশাযোগে বন্দর খেয়াঘাটের দিকে যাওয়ার সময় সিএইচডি গেট এলাকায় সোহাগ নামে এক ব্যক্তি পিস্তলধারী তিন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। দুর্বৃত্তরা তার মোবাইল ফোন ও ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে কালো রঙের মোটরসাইকেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরবর্তী ঘটনা ঘটে ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে কদমরসুল কলেজের পেছনে। ট্রাকচালক মো. হাসান খান-এর পথরোধ করে তাকে মারধর করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় তিন দুর্বৃত্ত। পরে তারাও মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সবশেষে ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কাজে যাওয়ার পথে মো. হাসান নামে আরেক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ছুরির মুখে জিম্মি করে ২ হাজার ২৫০ টাকা, একটি স্মার্টফোন ও একটি হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয় ২ থেকে ৩ জন দুর্বৃত্ত।
চারটি ঘটনার সময়, স্থান, ছিনতাইয়ের ধরন এবং কালো রঙের মোটরসাইকেল ব্যবহারের তথ্যের মধ্যে বিস্ময়কর মিল থাকায় ভুক্তভোগীদের ধারণা, একই সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ধারাবাহিক এসব ছিনতাই সংঘটিত করেছে।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র মুন্সিগঞ্জ অথবা চরসৈয়দপুর এলাকা থেকে মোটরসাইকেলযোগে এসে হঠাৎ করেই এসব ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আমরা ইতোমধ্যে তাদের শনাক্তের কাজ শুরু করেছি। কয়েকজনের নামও পেয়েছি এবং তাদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চলছে।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বর পাওয়া যায়নি। তবে ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য এবং প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি, খুব শিগগিরই জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।”
এদিকে, একই এলাকায় অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভোরবেলায় কর্মস্থল কিংবা দূরপাল্লার যাত্রায় বের হওয়া মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, বন্দর এলাকায় রাত ও ভোরে পুলিশি টহল জোরদার এবং দ্রুত ছিনতাইকারী চক্রকে আইনের আওতায় আনা হোক।
সংবাদ
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় একই রাতে ভোরের দিকে মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি পৃথক ছিনতাইয়ের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রবাসীর পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চারটি ঘটনার সময়, স্থান, কৌশল এবং কালো রঙের মোটরসাইকেল ব্যবহারের মিল থাকায় একই সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র এ ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন ভুক্তভোগীরা। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ।
ঘটনাগুলো ঘটে গত ৩০ জুলাই ভোর ৪টা ১৫ মিনিট থেকে ৫টা ১৫ মিনিটের মধ্যে। চারজন ভুক্তভোগীর মধ্যে তিনজন বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অপর ভুক্তভোগী সোহাগ ঘটনার পর নিজ জেলা সাতক্ষীরায় চলে যাওয়ায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রথম ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে ভোর ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে পশ্চিম হাজীপুর এলাকায়। সৌদি আরবগামী প্রবাসী রকিবুল হাসান তারেক বিদেশযাত্রার প্রস্তুতি হিসেবে গাড়িতে মালামাল তুলছিলেন। এ সময় তিন দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে তার পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট, ট্রাভেল ব্যাগ, ৯০০ সৌদি রিয়াল, নগদ টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয় বাসিন্দা রিপন মিয়া জানান, ঘটনার সময় হাজীপুর মোড়ে কালো রঙের একটি মোটরসাইকেলের পাশে এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতে দেখা যায়।
এর প্রায় ১৫ মিনিট পর, ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে, সাতক্ষীরা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রিকশাযোগে বন্দর খেয়াঘাটের দিকে যাওয়ার সময় সিএইচডি গেট এলাকায় সোহাগ নামে এক ব্যক্তি পিস্তলধারী তিন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। দুর্বৃত্তরা তার মোবাইল ফোন ও ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে কালো রঙের মোটরসাইকেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরবর্তী ঘটনা ঘটে ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে কদমরসুল কলেজের পেছনে। ট্রাকচালক মো. হাসান খান-এর পথরোধ করে তাকে মারধর করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় তিন দুর্বৃত্ত। পরে তারাও মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সবশেষে ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কাজে যাওয়ার পথে মো. হাসান নামে আরেক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ছুরির মুখে জিম্মি করে ২ হাজার ২৫০ টাকা, একটি স্মার্টফোন ও একটি হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয় ২ থেকে ৩ জন দুর্বৃত্ত।
চারটি ঘটনার সময়, স্থান, ছিনতাইয়ের ধরন এবং কালো রঙের মোটরসাইকেল ব্যবহারের তথ্যের মধ্যে বিস্ময়কর মিল থাকায় ভুক্তভোগীদের ধারণা, একই সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ধারাবাহিক এসব ছিনতাই সংঘটিত করেছে।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র মুন্সিগঞ্জ অথবা চরসৈয়দপুর এলাকা থেকে মোটরসাইকেলযোগে এসে হঠাৎ করেই এসব ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আমরা ইতোমধ্যে তাদের শনাক্তের কাজ শুরু করেছি। কয়েকজনের নামও পেয়েছি এবং তাদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চলছে।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বর পাওয়া যায়নি। তবে ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য এবং প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি, খুব শিগগিরই জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।”
এদিকে, একই এলাকায় অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভোরবেলায় কর্মস্থল কিংবা দূরপাল্লার যাত্রায় বের হওয়া মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, বন্দর এলাকায় রাত ও ভোরে পুলিশি টহল জোরদার এবং দ্রুত ছিনতাইকারী চক্রকে আইনের আওতায় আনা হোক।
- প্রবাসীর পাসপোর্ট, টিকিট, টাকা লুট, এক ঘণ্টায় বন্দরে ৪ ছিনতাইয়ে চাঞ্চল্য
সংবাদ
নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি: নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় একই রাতে ভোরের দিকে মাত্র এক ঘণ্টার ব্যবধানে চারটি পৃথক ছিনতাইয়ের ঘটনায় এলাকায় চরম আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে প্রবাসীর পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট, নগদ টাকা, মোবাইল ফোনসহ মূল্যবান মালামাল ছিনিয়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। চারটি ঘটনার সময়, স্থান, কৌশল এবং কালো রঙের মোটরসাইকেল ব্যবহারের মিল থাকায় একই সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্র এ ঘটনাগুলো ঘটিয়েছে বলে ধারণা করছেন ভুক্তভোগীরা। তবে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করছে পুলিশ।
ঘটনাগুলো ঘটে গত ৩০ জুলাই ভোর ৪টা ১৫ মিনিট থেকে ৫টা ১৫ মিনিটের মধ্যে। চারজন ভুক্তভোগীর মধ্যে তিনজন বন্দর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন। অপর ভুক্তভোগী সোহাগ ঘটনার পর নিজ জেলা সাতক্ষীরায় চলে যাওয়ায় অভিযোগ দায়ের করতে পারেননি। তবে তিনি সাংবাদিকদের কাছে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
প্রথম ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে ভোর ৪টা ১৫ মিনিটের দিকে পশ্চিম হাজীপুর এলাকায়। সৌদি আরবগামী প্রবাসী রকিবুল হাসান তারেক বিদেশযাত্রার প্রস্তুতি হিসেবে গাড়িতে মালামাল তুলছিলেন। এ সময় তিন দুর্বৃত্ত অস্ত্রের মুখে তাকে জিম্মি করে তার পাসপোর্ট, বিমানের টিকিট, ট্রাভেল ব্যাগ, ৯০০ সৌদি রিয়াল, নগদ টাকা এবং তিনটি মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। স্থানীয় বাসিন্দা রিপন মিয়া জানান, ঘটনার সময় হাজীপুর মোড়ে কালো রঙের একটি মোটরসাইকেলের পাশে এক ব্যক্তিকে সন্দেহজনকভাবে অবস্থান করতে দেখা যায়।
এর প্রায় ১৫ মিনিট পর, ভোর ৪টা ৩০ মিনিটে, সাতক্ষীরা যাওয়ার উদ্দেশ্যে রিকশাযোগে বন্দর খেয়াঘাটের দিকে যাওয়ার সময় সিএইচডি গেট এলাকায় সোহাগ নামে এক ব্যক্তি পিস্তলধারী তিন ছিনতাইকারীর কবলে পড়েন। দুর্বৃত্তরা তার মোবাইল ফোন ও ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে কালো রঙের মোটরসাইকেলে দ্রুত পালিয়ে যায়।
পরবর্তী ঘটনা ঘটে ভোর ৪টা ৪৫ মিনিটে কদমরসুল কলেজের পেছনে। ট্রাকচালক মো. হাসান খান-এর পথরোধ করে তাকে মারধর করে নগদ টাকা, মোবাইল ফোন ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ছিনিয়ে নেয় তিন দুর্বৃত্ত। পরে তারাও মোটরসাইকেলে পালিয়ে যায়। এ ঘটনার সিসিটিভি ফুটেজ ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।
সবশেষে ভোর ৫টা ১৫ মিনিটে বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সামনে কাজে যাওয়ার পথে মো. হাসান নামে আরেক ব্যক্তিকে পিস্তল ও ছুরির মুখে জিম্মি করে ২ হাজার ২৫০ টাকা, একটি স্মার্টফোন ও একটি হাতঘড়ি ছিনিয়ে নেয় ২ থেকে ৩ জন দুর্বৃত্ত।
চারটি ঘটনার সময়, স্থান, ছিনতাইয়ের ধরন এবং কালো রঙের মোটরসাইকেল ব্যবহারের তথ্যের মধ্যে বিস্ময়কর মিল থাকায় ভুক্তভোগীদের ধারণা, একই সংঘবদ্ধ চক্র পরিকল্পিতভাবে ধারাবাহিক এসব ছিনতাই সংঘটিত করেছে।
এ বিষয়ে বন্দর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জামাল উদ্দিন বলেন, “প্রাথমিকভাবে আমরা ধারণা করছি, একটি সংঘবদ্ধ চক্র মুন্সিগঞ্জ অথবা চরসৈয়দপুর এলাকা থেকে মোটরসাইকেলযোগে এসে হঠাৎ করেই এসব ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। আমরা ইতোমধ্যে তাদের শনাক্তের কাজ শুরু করেছি। কয়েকজনের নামও পেয়েছি এবং তাদের গ্রেপ্তারে বিশেষ অভিযান চলছে।”
তিনি আরও বলেন, “ব্যবহৃত মোটরসাইকেলের নম্বর পাওয়া যায়নি। তবে ভুক্তভোগীদের দেওয়া তথ্য এবং প্রযুক্তির সহায়তায় আমরা তাদের গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি, খুব শিগগিরই জড়িতদের গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হব।”
এদিকে, একই এলাকায় অল্প সময়ের ব্যবধানে একের পর এক ছিনতাইয়ের ঘটনায় স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে ভোরবেলায় কর্মস্থল কিংবা দূরপাল্লার যাত্রায় বের হওয়া মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। স্থানীয়দের দাবি, বন্দর এলাকায় রাত ও ভোরে পুলিশি টহল জোরদার এবং দ্রুত ছিনতাইকারী চক্রকে আইনের আওতায় আনা হোক।
সূত্র: প্রেস নারায়ণগঞ্জ

