নারায়ণগঞ্জের বন্দর উপজেলায় চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভোলা থেকে এক যুবককে ডেকে এনে অপহরণ ও মুক্তিপণ আদায়ের চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়দের তৎপরতায় অপহৃত যুবক উদ্ধার হলেও অভিযুক্তদের মধ্যে একজন ধরা পড়ে পুলিশের হাতে সোপর্দ হয়েছে। অপর দুই সদস্য পালিয়ে গেছে।
বুধবার (১৭ জুন) সকালে উপজেলার ঘারমোড়া এলাকার একটি আমবাগানে এ ঘটনা ঘটে।
ভুক্তভোগী শাকিল (২৫) ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার আহাম্মদপুর এলাকার বাসিন্দা। তিনি জানান, কয়েকদিন আগে মোবাইল ফোনে সাহাদাত নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে তার পরিচয় হয়। কথোপকথনের একপর্যায়ে সাহাদাত তাকে জাহাজে ওয়েল্ডিং কাজ দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং বন্দরে আসতে বলেন।
চাকরির আশায় বুধবার সকালে নির্ধারিত স্থানে পৌঁছালে সাহাদাত, রাব্বি ও আক্তার নামের তিন ব্যক্তি তাকে জোরপূর্বক পাশের একটি নির্জন আমবাগানে নিয়ে যায়। সেখানে তাকে মারধর করে পরিবারের কাছ থেকে টাকা আদায়ের চেষ্টা চালানো হয় বলে অভিযোগ করেন শাকিল।
একপর্যায়ে শাকিলের চিৎকার শুনে স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে যান। তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে রাব্বি ও আক্তার পালিয়ে গেলেও সাহাদাতকে আটক করতে সক্ষম হন এলাকাবাসী। পরে তাকে গণধোলাই দিয়ে বন্দর থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এ ঘটনায় শাকিল বাদী হয়ে সাহাদাতসহ পলাতক রাব্বি ও আক্তারের বিরুদ্ধে বন্দর থানায় অপহরণ ও মুক্তিপণ দাবির অভিযোগে মামলা দায়ের করেছেন।
পুলিশ জানায়, আটক সাহাদাতকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে এবং পলাতক অন্য দুই অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

