নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদীতে কচুরিপানা পরিষ্কার করার সময় নদীতে তলিয়ে যাওয়া রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পদকপ্রাপ্ত ডুবুরি সাদিকের মরদেহ প্রায় আট ঘণ্টা পর উদ্ধার করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) সন্ধ্যা ৭টায় শীতলক্ষ্যা নদীর নিতাইগঞ্জ কেরোসিন ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। নিহত সাদিক রাজবাড়ী জেলার গোয়ালন্দ উপজেলার কুমারকান্দি গ্রামের আশরাফ শেখের ছেলে। একই দিন সকাল ১১টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
ফায়ার সার্ভিসের নারায়ণগঞ্জ উপসহকারী পরিচালক আব্দুল্লাহ আল আরেফিন জানান, ফায়ার সার্ভিসের জেটিতে জমে থাকা কচুরিপানা পরিষ্কার করছিলেন ডুবুরি সাদিক। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন সামসুল ও স্পিডবোট চালক সজল। তারা লাঠি ও ছুরি দিয়ে কচুরিপানা সরানোর কাজ করছিলেন। একপর্যায়ে হঠাৎ সাদিক স্পিডবোট থেকে শীতলক্ষ্যা নদীতে পড়ে তলিয়ে যান।
তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্পিডবোট থেকে পড়ে যাওয়ার সময় সাদিকের মাথা বা শরীরের অন্য কোনো স্থানে আঘাত লাগে। এতে তিনি দ্রুত পানিতে তলিয়ে যান এবং আর ভেসে উঠতে পারেননি।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, কোস্ট গার্ড এবং বিআইডব্লিউটিএর ডুবুরি দল যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ আট ঘণ্টার অভিযানের পর সন্ধ্যা ৭টার দিকে নিতাইগঞ্জ কেরোসিন ঘাট এলাকা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পদকপ্রাপ্ত এই ডুবুরির এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে সহকর্মী ও স্থানীয়দের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

